লালমাই প্রতিনিধি:
লালমাই উপজেলার বাগমারা উত্তর ইউনিয়নের সহকারি আনসার কমান্ডার মোঃ সুলতান আহমদ(৫০) এর উপর গত ১৬ জুন ২০২৩ইং (শুক্রবার) রাত আনুমানিক ১০.৩০ মিনিটের সময় মান্দারী চৌমুহনী আবুল বাশারের দোকানে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অতর্কিত হামলায় গুরুতর আহত।
তিনি কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে জানা যায়,দঃ ধনপুর গ্রামের মৃত আকরম আলীর ছেলে মোঃ নুরুল ইসলাম(৫৫) হাতে থাকা টর্চলাইট দিয়ে ভিকটিম কে মাথায় আঘাত করলে মাথা ফেটে যায়, মাথায় ৭টি সেলাই লাগে এবং বুকের একপাশে আঘাত করে।টর্চলাইটের আঘাতে মারাত্মক ভাবে বুকের পাজরের হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এব্যাপারে গ্রামবাসি ও স্থানীয় গন্যমাণ্য ব্যাক্তিবর্গ হামলাকারীকে বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সাবেক মেম্বার আবদুর রশিদ ও দোকানদার আবুল বাশারের কাছ থেকে জানা যায় ভিকটিম মোঃ সুলতান আহমেদ প্রত্যেক দিনের মতো দোকানে চা খাওয়া ও খোশগল্পের জন্য আসেন।হঠাৎ একই গ্রামের নুরু মিয়া গালমন্দ শুরু করলে দুজনকে সাবেক মেম্বার, দোকান দার সহ উপস্থিত মোঃজাহাঙ্গীরআলম,মোঃ রুহুল আমিন, মোঃ আবুল কালাম নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন এমতাবস্থায় হঠাৎ মোঃ নুরু মিয়া তার হাতে থাকা টর্চ লাইট দিয়ে ভিকটিম কে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় আঘাত করেন।এবং তার বুকে আঘাত করলে বুকের পাজর মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।তাৎক্ষনিক তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দিয়ে পরে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ এন্ড হাসপাতালে নিয়ে আসলে তার মাথায় ৭টি সেলাই লাগে।
এব্যাপারে লালমাই থানায় ভিকটিম এর স্ত্রী মোছাঃ রহিমা বেগম অভিযোগ করেন।
এ ব্যাপারে লালমাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ হানিফ সরকার বলেন, বাগমারা উত্তর ইউনিয়নের দক্ষিণ ধনপুর গ্রামের মোঃ সুলতান আহমদের উপর হামলার একটি অভিযোগ পেয়েছি।অভিযোগটি তদন্তাধীন আছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Leave a Reply